এই হাহাকার বুকে নিয়ে প্রতিদিন খবরের পর খবর দেখি— গাজায় এখন প্রায় ৯ লাখ মানুষ ক্ষুধার্ত। তার মধ্যে ৭০ হাজার শিশু শারীরিক ও মানসিকভাবে ধুঁকে যাচ্ছে অপুষ্টিতে। এ যেন কেবল সংখ্যা নয়, এ হলো বেঁচে থাকার লড়াইয়ে প্রতিটি ক্ষুধার্ত মুখ, শূন্য চাহনি, ফেটে যাওয়া ঠোঁট আর শুকিয়ে যাওয়া বুক।
আমরা যাদের “ভবিষ্যৎ প্রজন্ম” বলে সান্ত্বনা খুঁজে নিই, তাদেরই অনেকে ভবিষ্যৎ দেখার আগেই মাটি আর অশ্রুর ভেতর হারিয়ে যাচ্ছে।
এ শুধু গাজার গল্প নয়। সিরিয়া, ইয়েমেন, সুদান, আফগানিস্তান— সব যুদ্ধবিদ্ধস্ত দেশেই শিশুরা অনাহারে, বোমায়, গুলিতে মরে যাচ্ছে। কাঁদছে কিন্তু কেউ শোনে না। খেতে চায় কিন্তু কেউ দেয় না। বাঁচতে চায় কিন্তু চারপাশে শুধু মৃত্যু আর ধ্বংস।
আমার মনের গভীরে এই যন্ত্রণা আর চেপে রাখতে পারছি না।
মানুষের এই নিষ্ঠুরতা দেখে আর নিঃশ্বাস নিতে ভালো লাগে না।
কীভাবে আমরা মুখ ফিরিয়ে থাকি? কীভাবে সভ্যতার গান গাই, উন্নতির গল্প শুনাই— অথচ শিশুদের মুখে খাবার তুলে দিতে পারি না?
এই পৃথিবীর সব যুদ্ধে, সব ক্ষুধায় আসলে কে জেতে? মানুষ? নাকি নিষ্ঠুরতা?
আজ শুধু মনে হয়—
যদি এই অমানবিকতার শেষ হয়। যদি শিশুরা কাঁদতে না শিখে হাসতে শেখে। যদি পৃথিবীর প্রতিটি মাটির নিচে লুকিয়ে থাকা শিকড় থেকে নতুন করে শান্তি জন্ম নেয়।
তার শেষ হবে কবে?
কেউ কি উত্তর দিতে পারবে?
⸻
“যারা শোনেন, তারা যদি আজই না জাগেন— কাল আর সময় থাকবে না। শিশুদের জন্য পৃথিবীটাকে বাঁচান।”
ভালো থাকবেন🤗ভালোবাসবেন।
